Showing posts with label কবিতা. Show all posts
Showing posts with label কবিতা. Show all posts

অবৈধ ক্যানভাস


অবৈধ ক্যানভাস


দেখেছো তুমি হিংস্র-শ্বাপদের
খুবলে খাওয়ার দৃশ্য?
ক্ষুরাধার নখ বসিয়ে দিয়েছে-
উহ ! আর্তনাদ কাঁপিয়েছিলো আরশ
আর চেয়ে দেখেছে নির্লজ্জ, কাপুরুষ বিশ্ব ।
দেখতে খুব মজার,
খুবলে খাওয়ার দৃশ্য !
কোথায় কোথায় দিয়েছে কামড়
আর কোন অঙ্গকে রাঙ্গিয়েছে
ধর্ষকশিল্পীর আঁচড়?
ক্যানভাসের প্লট কেমন ছিলো,
কেমন ছিলো রঙ্গের খেলা-
লাল-নীলের মিশ্রণ?
চোখ ফেটে ঝর্ণার প্রবাহ,
আহা, কী রূপের নির্ঘন্ট !
নিতম্বে সবুজ শাড়িটা সিক্ত-
রক্তজবার প্রস্রবণ ।
অসহ্য চিৎকার দিচ্ছে ‍সুড়সুড়ি,
আনন্দ দিচ্ছে বাঁচার আঁকুতি-মিনতি ।
হাত-পায়ের ছোড়াছুঁড়ি দেখে
ধর্ষক নিজেরে ভেবেছে বীর !
আর দর্শক? চোখের ধর্ষণে,
করতালির কর্ষণে
সাহস দিয়েছে যথেষ্ট,
এবার গগন বিদারী আর্তনাদ !
ক্যানভাস নীলে নীলাভ,
জাতি মিলে করছে ধর্ষণ-
হে ধর্ষক, তুমি বীর শ্রেষ্ঠ !

কে জানি বললো, ঢের হয়েছে-
বোধহয় বেঁচে নেই, চল ফুটি !
‘আজ আমাদের ছুটি ও ভাই,
আজ আমাদের ছুটি’ ।
বিনোদনের খোরাক এখন ব্যর্থ;
যে যার মতো চলে গেছে-
রেখে গেছে কিছু চিহ্ন
কেউ পায়ের কেউবা তুলির ।
এটা গাঁজাখুড়ি গল্প,
বিশ্বাস করোনা-
পড়ে রয়েছে নিথর একটা দেহ !

- ইলিয়াস আহমেদ
 ১৬.০৫.২০১৫ খ্রিঃ

আমি পড়েছি দ্বিধায় (কবিতা)


আমি পড়েছি দ্বিধায়-
তুমি কি হবে আমার?
নাকি জেদ ধরে দেবে পাড়ি
একা একা বহুদূর অজানায়-
আমি পড়েছি দ্বিধায় ।

তবে-
ছুঁইছুঁই স্বপ্নগুলো রবে কি অধরা?
কেনো স্বপ্ন দেখালে,
আগুণ জ্বালালে ফাগুণে?
তবে কল্পনা নিংড়ে কেনো
রঙ্গিন মেহেরুন ঝরা?
আজ-
তোমার এ বাণী গোপনে কাঁদায়
আর-
আমি পড়েছি দ্বিধায় ।

সবুজ সবুজ স্বপ্নগুলো
আজ কেনো এতো ফ্যাকাসে?
বসনে আর আসনে, আমি উদ্ভ্রান্ত-
‘এই, এখানে কে হাসে?’
পিন পিন নীরবতায়
ঘুম আসেনি চোখে,
রাতের বুক চিড়ে কবিতার প্রলাপ-
‘বিদায় চিরসঙ্গী প্রিয়,
খাবারটা ঠিক খেয়ে নিও !’
আধেক শুনে প্রচন্ড রেগে,
‘বন্ধ করো এ নাট্য !
বন্ধ করো অভিনয় অকাট্য !
আমি মরি তুমি বিনা-
চলেই যদি যাবে,
আমায় সঙ্গে কেনো নিলেনা?’

ভেঙ্গেছে তন্দ্রা, দুঃস্বপ্নের ঘোর
জেগে দেখি, একি হলো মোর?
তুমি নেই, তুমি আছো- নিথর দেহ,
চোখে-মুখে কলি ফুটেছে আদরের
আবীর মাখা ভালোবাসা-স্নেহ ।
শব্দহীন অসার গলা,
শুনেনি কেউ চিৎকার-
মনের ব্যাথা মনেতে দিয়েছি সৎকার ।

আজও মাঝরাতে নূপুর হাতে নিয়ে
নিমগ্ন থাকি অজানা চিন্তায়-
তুমি কি হবে আমার?
আমি পড়েছি দ্বিধায় ।

- ইলিয়াস আহমেদ

শৈশব স্মৃতি (কবিতা)


গোল্লাছুট খেলা
গোল্লাছুট খেলা
মনে কি পড়ে সেই
দিনগুলির কথা?
যেদিন আমরা
শুধু স্বর-অ লিখতে
ফুরিয়েছি কত খাতার পাতা !
যেদিন নতুন বইয়ের গন্ধে
পেতাম অন্যরকম মাদকতা !
যেদিন হাতের বগলে রেখে বই,
চৈত্রের ধুলোময়
পথঘাটে
করতাম হৈচৈ,
দলবেঁধে ধরতাম প্রাইমারীর রাস্তা ।
মনে কি পড়ে?

মনে পড়ে কি,
আগুনের ফুলকি'র
সেই ঠাঁটা রৌদ্র দুপুরবেলা?
পুকুরে লাফ-ঝাঁপ,
চোখ ফুলিয়ে ডুব সাতার খেলা?
ভেজা শরীরে
মায়ের বকুনি খেয়েছি ম্যালা ।
মনে কি পড়ে?
তারপর,
গায়ে সরষে তেল মাখিয়ে,
ভালো বাবুটি সাজিয়ে
মা জোর করে,
ঘুমুতে সেই নির্ঘুম দুপুরবেলা ?
অসহ্য যন্ত্রনার দুপুরে
তবু আমারই ঘুমের ভানে
মা ঘুমের দেশে একেলা ।
এরই ফাঁকে তৈলশরীরে
মেখেছি গোল্লাছুটের বালু,
গোধূলীর আবীর
আর কিঞ্চিত স্বাধীনতায়
ভাসিয়েছি অবাধ্যতা সুখের ভেলা ।
মনে কি পড়ে
এমনও শৈশব বেলা? 


-ইলিয়াস আহমেদ

সেদিনের সাক্ষী (কবিতা)


ক্যাম্পাসে ছাত্রের মৃত লাশ
ক্যাম্পাসে ছাত্রের মৃত লাশ
সাক্ষী ছিলো নীরব হল,
হলের উপর ঘাঁস,
শেষ বিকেলে সাক্ষী ছিলো
আলোকচ্ছটা একরাশ ।
মাটির উপর ইট সুরকি ছিলো
ছিলো অনেক বালুকণা,
সব দেখেছে কাছে থেকে
সাক্ষী ছিলো সাপের ফণা ।

সাক্ষী ছিলো সাঁঝের মায়া,
সাক্ষী স্রষ্টার সমীরণ,
সাক্ষী ছিলো নীরবতা
সাক্ষী জাগরণ ।

ক্যাম্পাস ভরা শিক্ষানবিশ
কেউ ছিলোনা সাক্ষী,
সাক্ষী ছিলো সাক্ষী ছিলো
বনজঙ্গলের পক্ষী ।
নিকষ কালো রাত্রিবেলা,
সাক্ষী ছিলো তারার মেলা ।
ঝিঁঝিঁরা সব জেগেই ছিলো
সাক্ষী দেবে বলে,
চাঁদের আলো সাক্ষী ছিলো
জোৎস্না পড়ে টলে !

সাক্ষী ছিলো চড়থাপ্পর
সাক্ষী পকেট ছুরি,
সাক্ষী ছিলো চোখের ভ্রূ
সাক্ষী হাতের তূরী ।
সাক্ষী ছিলো আর্তনাদ
সাক্ষী রক্তস্রোত,
সাক্ষী ছিলো পরহিংসা
সাক্ষী ছিলো ক্রোধ ।
সাক্ষী ছিলো মাটিরদেহ
সাক্ষী মৃতলাশ,
সাক্ষী ছিলো মশা মাছি
সাক্ষী চারপাশ ।

শুধু, সাক্ষী পাইনি আদালতে
বিচার যবে হবে,
লাশের ঘরে লাশ রয়েছে
আরো অনেক রবে ।
পঁচে গিয়েও সাক্ষী খুঁজি
পাইনি আজো সাক্ষী,
আজ ক্লান্ত আমি শ্রান্ত আমি
সাক্ষী খুঁজে আর লাভ কী !


কবি,
-ইলিয়াস আহমেদ

আমি অবাক হই (কবিতা)


আমি অবাক হই দেখি যখন
নিস্প্রান ঝড়া পাতারও আবেদন থাকে
পাতা কুড়ানি বালিকার কাছে ।

অবাক হই যখন বনের কোনে
অপরিচিত ঘাস ফুলে ভরে উঠে
কিশোরীর সাঁঝি  ।
আমি অবাক হই,
নির্বাক হই,
মোহিত হই,
বিস্মিত হই,
যখন শুনি ধনবান রাজকুমার বলে-
ভালো আছিস বন্ধু?
আমি ভালো হয়ে যাই-
ভুলে যাই রাজ্যের বিশ্বগ্রাসি ক্ষুধা ,
আমার অক্ষমতা দৌড়ে পালায়,
যখন "হে ঐশ্বর্যবান" তুমি আমায় আপন ভাবো !

কবি,
-শ্রী চন্ডীদাশ আচার্য্য 
পোষ্ট লিংক https://www.facebook.com/chandi.das.986/posts/746853615427745

কবে জাগবে? (কবিতা)


জাগরণ
আমি হবো কালশ্রেষ্ঠ ধ্বংসযজ্ঞের মহাপ্রলয় !
তন্দ্রাচ্ছন্ন হে মানব,
কবে তুমি জাগবে?
মোহাচ্ছন্নের ঘোর কাটিয়ে
বলো, কবে তুমি রুখবে?
বলো, কবে তুমি রুখবে
ঐ হিংস্র পদাতিক
যতসব জালিমের
স্বার্থান্বেষীর আগ্রাসন?
কবে দেবে অশান্তিকে
আলোকবর্ষ দূরে
অন্য কোথাও নির্বাসন?
তুমি না জাগলে,
আমি হবো যোদ্ধা-ঘাতক!
তুর্যের ঝংকারে
পিশাচের করবো রক্তক্ষরণ !


মরছে পিষে, ভোগবাদীর চরণতলে?
মরছে পিষে, মরবে কেনো
ভোগবাদীর চরণতলে?
শ্রমিকের পেশী থাকবে
কেনো খড়গধারীর
নিয়ন্ত্রণে?
মরছে পিষে,
মরবে কেনো
ভোগবাদীর চরণতলে?

শিক্ষালয় হবে কেনো
বেকার তৈরির কারখানা?
ঘুমিয়েই রবে চিরকাল?
তবু কি তুমি জাগবেনা?
তবু কি তুমি জাগবেনা
প্রভূত্ববাদের বিরুদ্ধে?
তুমি না জাগলে,
আমি হবো সন্ত্রাস অন্তর্জ্বালা-বিক্ষুব্ধে ।

খেলার শিশু হেলায় মরে  নরপিশাচের বুটের তলে
খেলার শিশু হেলায় মরে
নরপিশাচের বুটের তলে
জগতের শ্রেষ্ঠজীব!
তুমি জাগবে কবে
অন্যায়ের অতি সোচ্চারে?
জাগবে কবে?
জাগাবে কবে,
বিবেকের কড়া নেড়ে নেড়ে?
কাপুরুষ হয়ে কেনো
সয়ে যাবে সব,
আসলেই তুমি এক
ভন্ড, কুঁজো রে!
খেলার শিশু হেলায় মরে
নরপিশাচের বুটের তলে,
না খেয়ে সব
মুখ থুবড়ে পড়ে,
প্রাণ যায় সব অকালে !
এভাবে আর কতকাল!
মানবে মানবে অতি অহংকারে,
মিথ্যে আশায় ডুবে মরে ।
জীবন মানেই কেনো স্বার্থের ছড়াছড়ি?
না খেয়ে সব  মুখ থুবড়ে পড়ে,  প্রাণ যায় সব অকালে
না খেয়ে সব
মুখ থুবড়ে পড়ে,
প্রাণ যায় সব অকালে
নিঃস্বার্থরা সব জেলে পুড়ে?
এতো বেশি ক্ষমতা কোনো সইবার?
মানবতার মোড়কে আবৃত
কতো অন্যায়-অবিচার !
তুমি না জাগলে,
আমি হবো,
ভয়ংকর এক স্বৈরাচার !

কারো তাবেদারী নয়,
নয় কারো পা-চাটা গোলামী,
মেনে নেবোনা কারো হুকুমাত
এক স্রষ্টার ছাড়া ।
সীমান্ত ভেঙ্গে সব করবো একাকার,
যুদ্ধ হবে যুদ্ধ হবে,
প্রাচীর গড়তে আসবে যারা।
আর ফেলানী নয়,
বৈষম্য নয়,
মহাকাশে হবে প্রক্ষিপ্ত ।
ধর্ম নিয়ে কোন্দল নয়,
সাম্প্রদায়িকতা হবে ধর্ষিত,
তুমি না জাগলে
আমি মহাকাল হবো নির্লিপ্ত !

অন্ধরা সব, পুঁজিবাদে কেনো এতো প্রলুব্ধ?
অন্ধরা সব, পুঁজিবাদে কেনো এতো প্রলুব্ধ?
হে ঘুমন্ত মানব,
জেগে উঠো!
মহামিথ্যুকের প্রবঞ্চনায়,
আর কতকাল দেবে সায়?
অন্ধরা সব,
পুঁজিবাদে কেনো এতো প্রলুব্ধ?
তুমি না জাগলে
শুনে রেখো,
যুদ্ধ হবে, মহাযুদ্ধ !
মানবে মানবে নয়,
এ সমর সঙ্গীত,
বিজয়-পরাজয়ে
আসবেনা ঈদ,
না ভেদিবে মিথ্যের জয়,
তুমি না জাগলে,
আমি হবো,
আমি হবো কালশ্রেষ্ঠ
ধ্বংসযজ্ঞের মহাপ্রলয় !




কবি,
ইলিয়াস আহমেদ

কিশোরী আর হেসোনা (কবিতা)




কিশোরী আর হেসোনা


একি প্রেম? নাকি অন্যকিছু?
নাকি নাছোড়বান্দা আমি
নিয়েছি সুখানুভূতির পিছু?
একি উচ্ছ্বাস? নাকি
ভালোলাগার জোর করে
চেপে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা?
নাকি শৈশবোত্তর ছেড়ে
ডানা গজানো অমিয় সুধাবেগ পানের তেষ্টা?
কিশোরীর অজান্তের হাসির ডালি,
ভেঙ্গে চুরমার করলো
কোন নীরস কিশোরের দৃঢ়তা !
চিন্তার নির্মলতায় যোগালো
যুবক হবার আমরণ অভিপ্রায়,
অবশ্যকর্তব্য,
সার্থক হলো চিরায়ত বয়োঃবৃদ্ধি প্রথা ।

একি প্রেম? নাকি বসন্তের
হাওয়া লাগলো গায়ে?
কিশোরী আর সেজোনা,
পাগল করোনা তাকে,
যে দাঁড়াতে পারেনি আজও
ভর দিয়েছে পর পায়ে ।
ঠোঁটের ফাঁকে সুপ্তহাসি
আর মেজাজ মার্কা মুখে,
কী দেখেছিলো যুগান্তরী কিশোর? 
বই খাতা ফেলে সবুজঘাসে পড়ে রয় !
রাতের আকাশে দেখে ভাসামুখ চাঁদ,
আর দিনের আলোয় সরষেফুল ।

কিশোরী আর হেসোনা,
হয়ে যাবে এক কিশোরের ক্ষয় !

-ইলিয়াস আহমেদ

ভাবছো যেমন তেমনটি না (কবিতা)


ভাবছো যেমন তেমনটি না


ভাবছো যেমন তেমনটি না,
সুখের ভিতর আছে কান্না,
কান্নার ভিতর আছে হাসি,
হাসির ভিতর আছে দুঃখ রাশি রাশি !
হাসছি আমি হাসছো তুমি,
হাসছে অবাক পৃথিবী-
সব হাসিতেই মিশে আছে
ভয়ংকর সব ছলচাতুরী ।


হাসির মাঝে সুখ দেখেছো?
ঠোঁটের কোণে স্বপ্ন এঁকেছো?
সুখ আবরণ খুললে মেলে
ভয়ংকর সব যন্ত্রণা !

ভাবছো যেমন তেমনটি না,
গল্প গুজব এমনটি না ।
সব হারানোর হারিয়ে যাবে,
কাল হায়েনা চিবিয়ে খাবে,
চোখের কোণে জমবে জল,
কোথায় আর লুকাবে বল?
কেনো এই মিথ্যে মিথ্যে পরিণয়?
কেনো নিজের সাথে এতো অভিনয়?
দক্ষ নই আর সখ্য নয়,
তবু দর্শকেরা স্তব্ধ রয় !
করতালিতে মুখরিত নাট্যমঞ্চ,
ভাবছো যেমন তেমনটি না !

-ইলিয়াস আহমেদ

স্বাধীনতা তোমায় দিলাম ছুটি (কবিতা)


স্বাধীনতা দিলাম তোমায় আজ মুক্ত করে !
ইচ্ছে মত গাইতে পার আপন সুরে !!


আজব নীতির উদারতায় চলুক রাজনীতিকতা
তোমার বুকেই ছাপিয়ে চলুক হলুদ সাংবাদিকতা ।।

স্বাধীনতা আজ তোমায় দিলাম ছুটি
সত্যের সাথে মিথ্যা মিশিয়ে চালাও তোমার ঠুঁটি ।।

হিংসার জামা তোমার গায়ে দিলাম পড়িয়ে
ইচ্ছে হলেই ঠুনকো কথায় যাও পায়ে মাড়িয়ে ।।

স্বাধীনতা তোমার গায়ে লাগিয়ে দিলাম ডানা
বন্ধু তাতে হয়েছে কি চোখ করতে কানা ।।

চালাও ছুরি, এফোঁড় ওফোঁড় কর বন্ধুর বুক
স্বাধীনতার স্বেচ্ছাচারিতায় এটাই বুঝি সুখ !!

কবি,
শ্রী চণ্ডীদাশ আচার্য্য

পূর্ব প্রকাশিত এখানে